Monday, 28 August 2017


সেখানে বোধনের
ঢাক বাজে
বিপন্ন আয়াসে,
বিসর্জন সমাসন্ন,
সূ্র্য পশ্চিমে গেলে
নির্জন পথের পাশে
নীলবর্ণ ঘাসফুল
ফুটে থাকে,
ঘোর অন্ধকার নামে
কৃষ্ণবর্ণ চাদরের মত ,
নির্জন পথের ধারে
বুড়ো কোন বটের কোটরে
বাসা বাঁধে ব্যাঙ্গমা ব্যাঙ্গমী,
রাতচরা বুনো পাখী
শিকার সন্ধানে
ঘোরে,
হিম হয়ে আসে
রাত,
ঘন হয়ে ওঠে শিশিরের কণা ,
নিদ্রা যায় আবছায়া চাঁদ,
মেঘ ভাসে মেঘের উপরে ,
আনমনে ছুঁয়ে যায়
ঘুম ঘুম চোখ ।গতায়ু জীবন
কেন জোনাকির মত ফের জ্বলে নেভে,
শুকতারা জ্বৃলজ্বলে হয়ে
আর ফোঁটে নাতো !
মাধবীবিতানে সবুজের
সুখ ভাসে না তো আর ,
সরোজের সুখে কেন
মজে না সায়র ? অসুখের
দল কেন সায়কের মত
বুকে বেঁধে ? সাতন‍রী হার হয়ে
ওঠে বিষাদের মালা ,
সুখ খালি মুক্তোবিন্দু হয়ে
শ্বাস ভরে অশোকের বশে !

অতিক্রান্ত দীর্ঘ মরুপথ ,
প্রলম্বিত পথচলা শেষে
মরুদ্যানে থেমেছি আমি,
ভবঘুরে বাউন্ডুলে আজ,
বিষণ্ণ আকাশ জুড়ে
সঘন আশ্লেষমাখা
শীর্ণ ক্রোধী চাঁদ ,
অমানিশা বহুদূর
তবু ,দিকভ্রষ্ট আমি,
কেন তা জানি না,
পান্ডুরবদনে লাগে
অগ্ৰগামী বসন্তের আঁচ ,
কৃষ্ণশশী
গলে যায় , ভিজেছে আকাশ,
মেঘদলে চন্দ্রিমার
ছায়া ভাসে,
দিনশেষে ক্লান্ত
আমি , এখানে
তোমার কাছে থেমেছি
কেন যে আমি আজ !
বিষণ্ণ আকাশ জুড়ে
বিবর্ণ নিভুনিভু চাঁদ ।
অন্তরঙ্গে অমানিশা
বহিরঙ্গে পৌর্ণমাসী চাঁদ ।

পার্থসারথীর সৌজন্যে :::::::::

,কোথায় যেন একটুখানি জ্বর !
কপালে তোর হাত রেখেছি , ঠোঁট
তোর ঠোঁটের ই উপর,
বজ্রপাতে
চূর্ণ হল গাছ পাহাড় আর ঘর ,
তোর শরীর জুড়ে
দারুণ সুবাস , যেন
আমার শরীর ভাসছে এখন
তোর শরীরের ই উপর ,
তোর মনের মধ্যে ঝড়, যেন
শেষ বিকেলে মরণ ঘনায়
মরণেরই উপর , তবু কোথায় যেন
একটুখানি জ্বর ,
যেন
একটু তাপের আভাস পেলাম ,
যেন একটু ঘোর আর জ্বর, আমার
হাতখানি তুই ধর !
কেন দরজাতে তুই
খিল দিয়েছিস ? কে আপন
কেই বা তোর পর ?
মলয় বাতাস থমকে
আছে ,
তুই আগল খুলে ধর !
শেষ বিকেলে নামাস
নে আর ঝড় ।

সংশয় সন্দেহ হয়
বিষ ভাসে তাতে
অসহ নিশীথ তাই
বোধহীন অমানিশা হয়ে
বোধির দুয়ারে নেমে আসে ।

রাজপথে মানুষশিকারী ,
শ্বাপদের দল ,
সর্বনাশের স্বাদে
ঠোঁট চাটে,
রাজশক্তি দৃষ্টিহীন
ধৃতরাষ্ট্র , গান্ধারীর দৃষ্টি
রূদ্ধ,
বিষশ্বাসে জ্বলে যায়
জতুগৃহ ,
কুরুক্ষেত্র শবদেহে ঢাকে ।

তবুও তো ভোর হয়
আলো আসে ,
মানুষের হাত
মানুষ ই তো ধরে
রাখে ।

সংশয় সন্দেহ হয়
বিষ ভাসে তাতে
অসহ নিশীথ তাই
বোধহীন অমানিশা হয়ে
বোধির দুয়ারে নেমে আসে ।

রাজপথে মানুষশিকারী ,
শ্বাপদের দল ,
সর্বনাশের স্বাদে
ঠোঁট চাটে,
রাজশক্তি দৃষ্টিহীন
ধৃতরাষ্ট্র , গান্ধারীর দৃষ্টি
রূদ্ধ,
বিষশ্বাসে জ্বলে যায়
জতুগৃহ ,
কুরুক্ষেত্র শবদেহে ঢাকে ।

তবুও তো ভোর হয়
আলো আসে ,
মানুষের হাত
মানুষ ই তো ধরে
রাখে ।

আলোও আঁধারে ঢাকা,
একথা বুঝেছি আমি আজ,
অনেক দূরেতে ছিলে
,প্রচ্ছন্ন সুবাস হয়ে,
ফিরেছো বলেই তুমি
বৃষ্টি ফেলেছে আজ শ্বাস,

আশায় আশায়:

তবুও তো এতোদিন
আশায় আশায়
ধরেছি তোমার হাত
ধরে থাকি যতদিন
ধরে রাখা যায়।
তবু আজ দিনশেষে
খোলা চিঠি রোদ মেখে
তোমাকে দিলাম
ভাল করে পড়ে দেখো
যাবে কি যাবে না ভেবো
আমি শুধু ভালোবেসে
স্বর্গের ঠিকানা দিলাম।
রইলাম আশায় আশায়