Wednesday, 12 April 2017


সোহাগে
সোহাগে এত ঢল নামে,
পর্বত কন্দর হয়ে বিভাজিকা
বনমাঝে,
রিনিঝিনি বলয়ে মালাতে
কেন বাজে!
শিউলির গন্ধ বড় মৃদুভাষী,
নয় সে তো বকুলের মত
সর্বত্রগামী কিম্বা কামিনীর মত
হঠাৎ ই সরব হওয়া নারী,
যদিও রূপসী,তবু কি
কোথাও কোন ঘনঘটা
অকালে ঘনায় মাঝে মাঝে,
এরপরে কি আছে কপালে
কার ও কি কখনো জানা থাকে?
ভাল লাগা ভালবাসা
ইতিহাস বলে নাতো,
কখনো তা দেখা গেছে
মাধু্রীলতার মত জড়িয়ে
রেখেছে মন
সুধা হয়ে পাকেপাকে,

শরীরের ভালবাসা শরীরে
লুকিয়ে থাকে জানো কি?
কখনো কখনো তা যে
শিশিরে শয্যা পাতে,
আলোকিত নদীতটে
ভালোবাসা কখনো বুঝি
ঢেউ হয়ে ভেঙ্গে পড়ে,
সাগরগৌরব কেন শঙ্খশুভ্র
হয়ে বাজে নীরবে সরবে।
মীনরঙ্গ ঝাঁপিয়ে পড়ে
শফরীপ্রসাদলাভে,
সোনালী ডানার চিল
শিকারের মহোৎসবে মাতে,
হঠাৎ ই দোলায় হাওয়া
সজল গাছের সারি,
ঘূ্র্ণিহাওয়ার ফাঁকে
শ্বাসযতি হয়ে আসে
বিন্দুবারি,
ভাবিনি কখন ও মন
ভিজে যাবে বেণোজলে,
আনাচেকানাচে পড়ে ছিন্নপত্র
রাশিরাশি ,
নিদাঘে অগ্নিদাহে ছাই হয়ে
ঝরে পড়ে,
বৃক্ষতলে উপবিষ্ট
অনাবাসী
নীলকন্ঠ ,
বড় ই অসূয়া তার বিষ ছেড়ে
অমৃতশয়ানে।
মন্থনে পেলে কি তুমি?
পারিজাত না অমৃতকলস?
নাকি হলাহলে পূর্ণপাত্র
পানশেষে ,
কন্ঠ অতি নীল!
নাকি
নীল সমুদ্র ভাসে
নীলাভ আকাশে,
নীলাদ্রির পাশে,
নীলিমায় নীল।
সঘন আবেশে!

No comments:

Post a Comment