এখানে সময় এসে
থেমেছে মনের পাশে,
উচাটন মন আর কিই বা করে ?
সময়ের সাথে শুধু কথা হয়,
ওই তো নদীতে ভাসে
বরষার ফুল স্রোতময়,
বাস্পের নেশা এসে
ভেজা ভেজা চোখ ছুঁয়ে,
মাতায় পাহাড়ব্যাপী
ভাঙ্গনের খেলাশেষে,
নগ্ন শিখর হাসে
সুকঠিন সুপ্রাচীন
শিলাময়।
সময় থেমেছে আজ
কে কোথায়?
মনের গভীরে কিছু
আঁধারের খেলা চলে,
রক্তিম আলোছায়া
কোমল মৃদুল,
আঙ্গুল বাড়িয়ে দিলে কি কঠিন ভুল,
সহসা বাতাস বয়
আবেশে আকুল,
স্পর্শহীন অবয়ব রোদে কাঁপে,
জলের উপরে হাওয়া
মরীচিকা হয়ে শুধু
দোলা দেয়,
কেন দেয়?
সরে সরে যায় কেন
দূর বহুদূর ?
বাতাসে ভেসেছে কেন
ছিঁড়ে যাওয়া সুর?
দৃষ্টি শুধু মধ্যমায় ঠাঁই নেয়
পথহারা নাকি?
গভীর শ্বাসের ছোঁয়া
পেয়ে কি অধর আরো
রক্তিম হয়?
হতাশা ঘনায়,
আঁধার চুলের নীচে,
কুয়াশা কোথায়?
পেলব গ্ৰীবার পরে
একটু ছুঁয়ে ই থাকা
বৈকালী রোদের ছায়া,
শুষে নিতে মগ্ন মৃদু
ধূপছায়াময় বেড়া,
অনতিঅজানা কোন
কোমল ফুলের মত
পিপাসী এ কর্ণমূল,
নগ্নতায় শুধু
বিভঙ্গ হারায় পথ
সহসা মৃদুল।
সহসা ঝড়ের হাওয়া
গান গায়,
তরুণ তরুর নীচে
সবুজাভ
ছায়া ভাসে,
সুরের পতন ঘটে
হাওয়ায় হাওয়ায়,
চটুল মনে্র খেলা
পল্লবিত গল্পকথা,
কে কাকে হারায় বলো !
ধরে কি রাখার কথা,
যা যাওয়ার তাতো চলে যায়,
অঙ্গরাগে বর্ষারেণু
বসন্তে হলুদ কেন হয়?
কথোপকথন বুঝি
শুরু হয়?
আগত গ্ৰীস্মের দিনে
রঙের কি নিবিড় জ্বালা,
আশাবরী রাগ শেষে
চন্দ্রোদয়,
বাতাস বয়েছে বেগে,
শুকনো পাতার স্তুপে
আগুন লেগেছে যেন
সমস্ত দিনের শেষে,
কালাতিপাতের চেয়ে
দুফোঁটা জলের ধারা
কতটুকু পারে বলো
পাতা থেকে মুছে নিতে
পুড়ে যাওয়া স্মৃতিরেখা,
ওড়ে ধূলো ওড়ে ছাঁই
কত যে হারাই জানি
আগলে রাখতে আর
কতটুকু বলো পারি,
মৈনাকের মগ্নতা
কি দুঃখ ময় |
No comments:
Post a Comment