আবার আমি স্বপ্নমায়ায় ঝাঁপ দিয়েছি
এখানে ওখানে চেয়ে দেখে দেখে
হঠাৎ কখন রাজপথে নেমে
হাঁটা লাগিয়েছি ফুটপাথ বেয়ে
ফিরে যেতে চাই অধুনাবিস্মৃত
স্মৃতির ছায়ায়।
টুকরো অনেক ছবির আভাস
অনেক কথার জটিল জালেতে
কোথায় লেগেছে উন্মুখ হওয়া
অধীর ব্যাকুল কোমল বাতাস।
তুলিতে তখন আগুন লেগেছে
কবিতা তখন অশনিআভাস
গানভাসি ওই সুরেলা জীবনে
দাপিয়ে উঠেছে মহীনের ঘোড়া
অনেক ভুরু তো বেকে যায় শ্লেষে
টানটান তবু অশ্বের গ্রীবা।
বাতাসে তখন বারুদগন্ধ
অনেক আঘাতে পাহাড় টলেছে
অনেক প্রদীপ নিভেছে হঠাৎ,
অনেক ব্যথা নীরবে সয়ে যে
দীঘল চোখে তে আগুন জ্বলেছে।
বিশ্বাস তার অতল গভীর
এখনো জমে যে অনেক বারুদ
জ্বলে যাবে কোন দাবানল হয়ে
নীলাকাশ থেকে যদি
ঝরে বিদ্যুৎ।
অনেক লোক তো চেয়েছিল
ভালো
কিছু কিছু সুখ
কিছু কিছু ব্যথা
ভাগ করে নিতে ,
সাথীদের সাথে,
সাধ কম ছিল
বেশি ছিল আশা।
আমাদের এই ছোট্ট জীবনে
গরিমা মানে তো সহমর্মিতা।
গরিমাবোধের আর এক নাম
প্রভু আর দাস পাশাপাশি থাকা।
সেই বোধ এসে চূর্ণ করেছে
যেখানে যতোটা ছিল কিছু আশা।
আমরা এখনো আশা করে থাকি
কোথাও কি আছে আলোকের রেখা?
শতফুল কবে ফুটবে আবার
আলোয় ভাসবে যা কিছু নিরাশা।
তখন আবার কথা হবে কিছু
লিখব কবিতা শুনবো তো গান
বনবীথিতলে হারিয়েছে যারা
তাদে্র কথাই বলতে বলতে
চোখে এলে জল
মনে পড়ে যাবে,
কতশত তাজা অমলিন প্রাণ,
চৈত্রবাতাসে
ভেসে গেছে
যারা
গেয়েছিল তারা কত কত
গান।
No comments:
Post a Comment