রয়ে গেলে তুমি এখনো
দুর্বিনীতাই ----
ঠমক ঠামক কিছুই কমেনি,
চিঠির ঝাঁপিতে তালা লাগিয়েছো
ভীষণ ক্রোধেতে জ্বলে??
কালকে তোমাকে চিঠিই লিখিনি,
কালকে তোমায় সোহাগ করিনি,
তুমি জ্বলে পুড়ে যাও
তবু স্বীকার করোনা,
শাস্তি পেয়েছো বলে,,,,!!
তুমি এতো কেন রাগ,
এতো অভিমান,
জমিয়ে রেখেছো বলো??
তুমি কেন বৈশাখে দাবদাহ হলে?
তুমি আষাঢ় আকাশে মেঘ নও কেন?
তুমি হেমন্ত বায়ুতে জুড়ে নাই থেকে,
বসন্তবায়ুতে কেন না প্রবিষ্টা হলে??!!!
তুমি হয়ে আছো বিদ্যুন্মালা,
তুমি তো হতেও পারতে
শরতের মেঘ
দিবাবসানে হতেও পারোতো অকালবরষাধারা!
তুমি কেন হলে কালবৈশাখীজোড়া
চন্ড মেঘের মালা?
ধারাপাত হলে সব ভেসে যায়
মেটে নাতো কোনো জ্বালা!
তুমি হলেনা কেন যে
নরম শীতল ছায়া!
তুমি হয়ে থাকো কেন ঘূর্নিবাতাস ?
হতে তো পারতে দখিনের খোলা হাওয়া, , , , , , , , ,
তুমি দূরে নাই গিয়ে
কাছে ফিরে এসো
নাহয় একটু কাঁদলেই বসে------
না হয় একটু বললেই কথা,
না হয় একটা লিখলেই চিঠি গোটা।
যদি চিঠির ঝাঁপিতে লাগানো তালাটি খুলতে পারো,
চিঠি লেখা আরও ঘন ঘন হবে,
অবকাশ হবে আর ও,
ভেবে দেখো যদি পারো, , , , , , ,
তুমি হতেই পারোতো
সঘন বরষা শেষে,
নীলান্ঞ্জনবনছায়া।
তুমি হতেই পারোতো,
জোৎস্নারাতের বনে
ভেসে যাওয়া আলোছায়া।
নেহাৎ ই যদি না পারো,
মলয়বাতাসে মিশে যেয়ো তুমি,
হয়ে কোমল মেদুর মায়া।
No comments:
Post a Comment