বিসর্জনের বাজনা বেজেছে
বেদনা জমে যে সাঁচিস্তুপ,
তোমার হৃদয় মোহমায়াহীন
তোমার ঠোঁটে যে বিদ্রূপ
দেখালে বটে হে নাগরীকন্যা
এক ই অঙ্গে হয় এতো রূপ!
যদি অগ্নিভ্রমর হানা দেয় এসে
বলাকারা যায় দূরদেশে ভেসে
মায়ানগরীর দিশা দেখা গেলে
দশদিগন্ত কেন চুপ?
হলেই না হয় নগরকন্যা
মধ্যে ক্ষামা শিখরিদশনা
না হয় হলেই শ্যামলবরণা,
পক্কবিম্বাধরোষ্ঠি।
তাহলে ভাবো না
অলসগমনা,,,,,
স্তনের ভারেতে ঈষৎ অবনতা
চকিতহরিণীপ্রেক্ষনা বলে,
সাতখুন মাপ হয় নাকি?
জবাবদিহি তো পাওনা রয়েছে
শিলাবৃষ্টিতে নষ্ট কত যে ,
বনভূমি,,,
কত ছবি তুমি মনে তো রাখোনি,
কত দেওয়া কথা বিস্মৃত হোয়েছো
সময়সরণী আঁধারে ঢেকেছো,!
তাতে কি?
বনবীথিতলে মধুআলাপন,,
পর্ণকুটীরে রাত্রিযাপন
সেকি ছিল শুধু সময়ের দাবী
সেকি ছিল শুধু স্বপ্ন?
চলো চলে যাই দূর বহুদূরে
ছায়াময় কোন বনপথ ধরে
উজ্জয়িনীকে ছেড়ে যাই চলো
মহাকোশলের দিকে
বিদিশা নগরী পড়বে যে পথে
যেতে পারি চলো বিদর্ভদেশে
কিম্বা চম্পানগরী।
নয়তো যেতে পারি আরও পূবদেশে,
নগরী পাটলিপুত্র
অথবা দক্ষিনে পথ চেয়ে আছে
রূপসী তাম্রলিপ্ত ।
হে নাগরিকা,
হে সুতনুকা,
তুমি যাবে কি?
No comments:
Post a Comment