পৌর্ণমাসী:
পৌর্ণমাসীর চাঁদ যে ছিল
আকাশ জুড়ে
ব্যাকুল হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল
শাল তমাল
পত্রছায়া ভেদ করে ওই
জোৎস্নামায়া
ছুঁয়ে ছিল ঘন বনছায়া
আর বৃক্ষতল।
জোৎস্নাধারায় ভিজে মাতাল
একলা এ মন,
চাইছে তোমায়
একেলা কাছে,
মন কেন আর নেই যে বশে,
পেলব মেঘের আনাগোনা
আকাশ জুড়ে,
চাঁদ বলেছে তাড়া কিসের?
একটু থাকো!
দখিন বায়ু অধীর বড়,
বলছে আমায় ,
যাও চলে যাও
ফিরো না আর!
বইছি নিজেই মৃদুলয়ে
ফিরবো না আর?
বাহুলতায় দুলছে যে ঘোর
বনলতা মোহনমায়ায়,
কিসের নেশায়?
অনঙ্গ আজ স্বয়ং বাণে বিদ্ধ
হলে
ত্রিনয়নে দগ্ধ হতে
রইলো কে আর?
কৃষ্ণ কালো বইছে যে জল
ওই ভ্রমরার,
একুল ওকুল দুকুল ভাসে
জ্যোৎস্নাধারায়,
সপ্ততরী ধনপতির বাণিজ্যে যায়,
কে জানে কি আছে সাধুর কপালে,
কমলে কামিনী নজরে এলে যে
ধনমান সাধু সব ই বুঝি যায়।
No comments:
Post a Comment