বোধি বিফলে যায়,
শোক যদি দিশা পায়
বজ্র কেন স্তব্ধ হয়
আগুনের শিখা কেন
প্রভাহীন হয়ে
বাতাসে মিলায়।
শ্রাবণের ধারাপাতে
ফসলের নেশা থাকে
বসন্তে অকালধারা
কেন শুধু মিলনে মাতায়?
হিরণ্যবতীর তীরে
মল্লভূমে শায়িতপ্রয়াণ
শাক্যমুনি তথাগত বুদ্ধপ্রাণ
বুঝে নিতে চান প্রজ্ঞাবান
জীবনের কোন দানে স্মৃতি থেকে
মুছে যায় রাহুলমাতার ছবি?
কোন জ্ঞান তাকে বোধি কোরে দান
প্ররোচিত করেছিল দান দিতে
ভিক্ষুজীবির প্রাণ আপন সন্তানে?
কোন জ্ঞান তাকে দিয়েছিল
যুক্তির প্রাণ?
কি লাভ হলো বা তাতে,
এত বৌদ্ধ যুক্তিবাদী মন
শুধু জন্ম দিল সংঘবাদী
ভক্তিপ্রাণ,
যে পূজার বেদী থেকে
নেমে
তিনি ধীমান হলেন,
অবতার হয়ে সেই পূজার
বেদীতে
তিনি সমাসীন
অমর অম্লান।
অনুগামী বিম্বিসার
বিশাখা বণিককন্যা
কেন অভিমানে দূরে যান?
নির্বাণ মোক্ষের জালে
বর্ণভেদ জাতিভেদ
পথ খোঁজে
সংস্কারচিন্তার অবসান
অনিবার্য হয়,
বুদ্ধ অবতার হন,
পরিনির্বাণ নির্বাণ মোক্ষের
ফাঁদে ধরা পড়ে
অসামান্য মেধাবান
জ্যোতিস্মান এক প্রাণ,
তিনি বোধিপ্রাপ্ত দেববুদ্ধ,
তিনি তথাগত মারধ্বংসী
ধীমান।
হায় বোধি কেন অস্তাচলে যায়?
বজ্র কেন স্তব্ধ হয়ে
আকাশে মিলায়।
হায় তথাগত
তুমি কোথায়?
এখনো যে বসে আছি
আশায় আশায়!
No comments:
Post a Comment