গহন বনের পরে
বরষা ঘনায়
সরল সহজ সব গাছ
চোখ মেলে চায়,
সবুজ পাতার
ওই সামিয়ানা
সব কিছু ঢেকেছে মায়ায়।
বাতাসে বাস্পের বাস,
মেঘময় নীলাকাশ
কুটিল কুন্তলাভাস,
ঝুঁকে পড়ে বাহু মেলে
জড়াবে সজল শ্বাসে
বনভূমি পথঘাট,
অপার জলের ধারা
ধুয়ে দিতে থাকে শুধু
সেতুবন্ধ নদীঘাট।
আকাশ এখানে নয়
শূন্য পথ,
নির্জনতা ছিঁড়ে ফেলে
সরল সুতীক্ষ্ণ ডাকে
ক্ষেমংকরী তীব্র রাগে,
মীনরঙ্গ মীন লয়ে
পাতার আড়ালে বসে,
গুরুগুরু মেঘনাদ,
তীব্র স্বরে সাড়া দেয়
কলাপীর দল।
বৃক্ষতলে গতিমান কুরঙ্গসদল!
অগ্রগামী ব্যাঘ্রনখ পিছে ধাবমান ,
মৃত্যু আসে
বিজুরী রেখার পথে,
হঠাৎ গতির ফাঁদে একটি জীবন।
বরষা নেমেছে বেগে
রক্তধারা যায় মুছে,
সিক্ত ভূমি বৃক্ষপত্র
সিক্ত বনতল।
গহন বনের পর
বরষা এসেছে নেমে
শীতল সজল।
##ক্ষেমঙ্করী,,,চিল
কলাপী,,,ময়ূর
কুরঙ্গ,,,হরিণ,,,,,,,মীনরঙ্গ,,মাছরাঙ্গা,মেঘনাদ,,মেঘের শব্দ
কুটিল কুন্তলাভাস,,,কুটিল,,কোঁকড়া, কুন্তল,,চুল,,,,কোঁকড়া চুলের মত
সব মঙ্গলকাব্যের বাংলা শব্দ।
No comments:
Post a Comment